সংসদে কাজী ফিরোজ রশীদের কবিতা পাঠ

0

কিওমিকণ্ঠ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো: ফজলে রাব্বী মিয়া ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদকে উদ্দেশ করে সংসদে তিনটি কবিতা পাঠ করেছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ।

গতকাল সংসদ অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি কবিতা পাঠ করেন। একের পর এক কবিতা পাঠে অধিবেশন কক্ষে হাসির রোল পড়ে যায়। সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তাকে অভিনন্দন জানান। সাধারণ আলোচনার শেষ পর্যায়ে প্রথমে সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদের উদ্দেশে পাঠ করেন। কবিতার লাইনগুলো ছিল-‘দেখ ওই চাঁদের দিকে চেয়ে/কত যে কষ্ট তার বুকে/কখনো কালো মেঘে ঢেকে যায়/কখনো সে আলো হারায়/তবুও আলো ছড়িয়ে সে হাসে/কারণ সে আকাশকে ভালোবাসে/আমার নেতাকে শত কষ্ট জ্বালা যন্ত্রণা/বেদনা সবকিছু উনাকে ঢেকে দেয়/আবার সব কিছু উপো করে উনি মানুষের মাঝে ফিরে আসেন/কারণ উনি দেশকে ভালোবাসেন’।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে পাঠ করা কবিতার লাইনগুলো হচ্ছে- ‘জীবনে অনেক কিছু হারিয়েছি/হারাতে হারাতে আজ বড় কান্ত/এখন আর হারানোর কোনো ভয় আমি করি না/কারণ পৃথিবীতে যার পাবার কিছু নেই/তার হারানোর ভয়ও নেই/পৃথিবীতে সবচেয়ে দুঃখী সেই, যে নিজের মান-অভিমান, দুঃখ-কষ্ট কাউকে দেখাতে পারে না/একটু চিৎকার করে কাঁদতেও পারে না/ শুধু চোখের জ্বলে ভাসে’।

এরপর স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, এবার আপনাকে উৎসর্গ করে একটি কবিতা পাঠ করছি। ‘যদি কখনো আমি না থাকি তোমাদের এই সংসদে/একটি সাদা ফুল রেখে দিও আমার নামে/আমি অনেক কথা বলেছি তোমাদের মাঝে। রেখে গেলাম সব কিছু আমার সাজানো সংসদে’।
এরপর ডেপুটি স্পিকার কাজী ফিরোজ রশিদের উদ্দেশে বলেন, আপনি কবি হলেন কবে? এটা তো জানা ছিল না। আপনার নেতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ কবি, এটা আমরা জানি। কিন্তু আপনি যে কবি এটা জানতাম না। নেতা কবি হলে, শিষ্যও কবি হওয়া স্বাভাবিক।

Comment

Share.

Leave A Reply