রক্তাক্ত জৈন্তা: ভণ্ডদের রুখে দাঁড়াও

0

হাম্মাদ তাহমীম ::

ক্লাস ফাইভে তখন তালিমুল ইসলাম পড়াই। বেদআতের পরিচয় দেই; বাচ্চারা বুঝে না। কেন জানেন? তারা জৈন্তা শরীফের পবিত্র মাটিতে জন্ম নেয়া নিষ্পাপ কচিকাঁচা। বেদআতের সাথে তাদের পরিচয় নেই। তারা কল্পনাও করতে শেখেনি শবে বরাতে আয়োজন করে বানানো হালুয়া-রুটির প্লেটটা কেমন দেখায়! কিভাবে একদল মানুষ নবীকে হাজির-নাজির মনে করে কিয়াম করতে পারে। একশ্রেণীর মানুষ যে মাজারে মাজারে পূজা-ভক্তিরও জলসা বসায়, তাও তাদের ধারণায় ছিলো না। জৈন্তার শিশুদের কেন! অসংখ্য বয়ষ্ক মানুষেরও বোধগম্যের বাহিরে আছে জিনিসগুলো।
কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট আর জৈন্তাপুর নিয়ে বৃহত্তর জৈন্তা। জৈন্তাকে যারা জানেন না, একবার এসে দেখে যেতে পারেন এর মফস্বল শহরগুলোকে। গুনে দেখতে পারেন এখানে আলেম আর সাধারণ মানুষের সংখ্যার তফাৎ। আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রহ.র স্মৃতিধন্য এ রাজ্যে (দেশের মধ্যে ভিন্নধাচের একটা রাজ্য বলা চলে) উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আলিয়া মাদরাসা থাকার পরও আপনি সব আলেমদের লেবাস দেখবেন একই ধরণের। শুধু লেবাসেই নয়, চিন্তা-চেতনায়ও তারা এক ও অভিন্ন।
বেদআত মুক্ত বৃহত্তর এই এলাকায় আজ হঠাৎ শুনা গেলো গুটিকয়েক বিদআতিদের আস্তানা গড়ে ওঠার কথা। শুনা গেলো ঐ রিফুজি গোষ্টির চরম পর্যায়ের ধৃষ্টতার কথা।

দেশ যদি উলামাদের হয়, জৈন্তা নিঃসন্দেহে উলামায়ে হকের রাজধানী।
জৈন্তা নিঃসন্দেহে একটি পবিত্র জায়নামাজের নাম। যেখানে কপালের স্পর্শ রেখেছেন আল্লামা বায়মপুরী, হরিপুরীদের মত জগত বিখ্যাত ওলীরা।
পবিত্র এ মাটিকে আজ অপবিত্র করে দেয়া হয়েছে। বাঘের খাঁচায় ঢুকে বাঘের সাথে তামাশা করা হয়েছে।
এর ফলাফল কতোটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, জানা নেই ভণ্ডদের।

শহিদের রক্ত বৃথা যাবে না ইনশাআল্লাহ।

Comment

Share.

Leave A Reply