জামেয়া মাদানিয়া কাজির বাজার; ঐতিহ্যের স্মারক

0

“এক পুত্র যদি মাত্র হয় ভাগ্যবান/ শত শত পুত্র নহে তাহার সমান/ এক চন্দ্রে জগতের অন্ধকার সরে/ লক্ষ কোটি তারা দেখো কী করিতে পারে!”

বাংলাদেশে হাজারো ক্বওমী মাদরাসার ভিড়ে একটি নাম ‘জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া’। জামেয়া আদর্শিক বিপ্লবের একটি নাম। জামেয়া ঐতিহ্যের একটি স্মারক। এই জামেয়া স্বপ্নবাজ এক পুরুষের চোখ ভরা তৃষ্ণা আর বুক ভরা প্রত্যাশার ভরকেন্দ্র। স্বপ্ন’র সারথী। আকাঙ্খার ডালপালা যাকে ঘিরে বিস্তৃত। সময়ের বিষাক্ত অনিল প্রত্যাশার সুনীলে ডানা ঝাপটে উড়ে চলার একখ- নির্ভরতা। মহান মা’বুদের অশেষ মেহেরবাণী আর জামেয়া’র স্বপ্নদ্রষ্টা কাম প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবীবুর রহমান’র ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং দেশবাসীর আন্তরিক সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি অতি অল্প সময়েই জাতির আশা-আকাঙ্খার প্রতীক হয়ে উঠে। পৌঁছে যায় সাফল্যের সেই শিখরে, যেখানে পৌঁছার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায় অনেকের।

জামেয়া পরিচিতি
নাম : জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া
অবস্থান : ভি.আই.পি রোড, কাজিরবাজার, সিলেট, বাংলাদেশ।
প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল : আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাবীবুর রহমান দা. বা.।
মতাদর্শ : আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত ও সালাফে সালেহীনের অনুসারী।
প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৭৪ ঈসায়ি সনের ৫ই জুন বুধবার।

প্রতিষ্ঠিত হয় যেভাবে
১৯৭৪ সাল’র টালমাটাল বাংলাদেশ। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থাও মুখ থুবড়ে পড়েছে। স্মরণ করা যেতে পারে ১৬০১ সালে আহমদ শাহ আবদালীর শাসনামলে সর্বপ্রতম যখন ইংরেজ এসেছিল এই উপ-মহাদেশে, কেবল দিল্লিতেই তখন এক হাজার দ্বীনি মাদরাসা ছিল। সাদা বেনিয়ারা একে একে ধ্বংস করে দিয়েছিল সেগুলো। উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের আপোষহীন দূর্গ দারুল উলূম দেওবন্দ’র সূর্যসন্তানদের নেতৃত্বে ৪৭-এ পাক-ভারত উপমহাদেশ স্বাধীন হবার পর ২৪ বছর আমরা ছিলাম পাকিস্তানের অংশ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকশ্রেণী কর্তৃক নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত হতে হতে অবশেষে ১৯৭১ এ গর্জে উঠেছিল বাংলার দামাল ছেলেরা। স্বাধীন হয়েছিল এ মাটি।
স্বাধীনতার স্বাদ খোঁজে পেতে মুক্তভাবে ঘুরে ফেরা এদেশের মানুষ তখন আবিস্কার করেছিল দেশটিতে বইতে শুরু করেছে বিষাক্ত বাতাস। রাজনৈতিক-সামাজিকভাবে দেশটির অবস্থা হ-য-ব-র-ল। শিক্ষাক্ষেত্রে চলছে নৈরাজ্য। এই অবস্থায় দেশটির অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি জনগণকে কীভাবে নৈতিক দিক দিয়েও উন্নত করা যায়, তা নিয়ে সচেতন মহল হয়ে পড়েছিলেন উদ্বিগ্ন! তখন সবার কাছে একটি বিষয় পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল যে, এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে ধর্মীয় শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। তখন সময়ের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে কীভাবে শিক্ষাক্ষেত্রে বৈপ্লবিক কিছু করা যায়, সেই পরিকল্পনা মাথায় নিয়েই প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবীবুর রহমান প্রতিষ্ঠা করেন এই জামেয়া। দারুল উলূম দেওবন্দের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা কাসিম নানুতবি’র স্বপ্নাদিষ্ট স্থান, সিলেটের সুরমা নদীর তীর ঘেষে ছোট্ট ডালিম গাছের নিচে, ঠিক যেভাবে গড়ে উঠেছিল দারুল উলূম দেওবন্দ, প্রতিষ্ঠিত হয় এই জামেয়া। বাঁশ-বেত ও টিন সেটের ছোট্ট একটি কুঁড়ে ঘরে ৫/৭ জন শিশুকে নিয়ে শুরু হয় প্রাইমারি শিক্ষা কার্যক্রম। নিয়োগ করা হয় নাদিয়াতুল কুরআনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন শিক্ষক। সেই সাথে একজন হাফিজ উস্তাদ ও তিন জন ছাত্র নিয়ে শুরু হয় হাফেজী বিভাগ।
মসজিদে সুরমা নদীর তীর থেকেই শুরু হয় জামেয়ার পথচলা। কিছুদিনের মধ্যে জামেয়ার উত্তরোত্তর সফলতা এবং শিক্ষার্থীদের আশাব্যঞ্জক ফলাফলের কারণে চতুর্দিকে মাদরাসার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থীরা ঝড়ের বেগে জামেয়ায় ভিড় জমাতে শুরু করলে আসন সংকুলান না হওয়ায় ক্যাম্পাস অন্যত্র বড় কোন পরিসরে সরিয়ে নেয়ার প্রয়োজন অনুভূত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৯ সালে জামেয়া বর্তমান ঠিকনায় স্থানান্তরিত হয়। শুরু হয় জামেয়ার এক অন্য যাত্রা।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যাবলী
লক্ষ্য ছিল স্থির, সুদূর আগামীর কঠিন সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। সেটা করতে গেলে তৈরি হতে হবে সেভাবে। ছাত্রদের তৈরি করতে হবে সময়ের সাহসী সৈনিক হিসেবে। ইলম ও আমলিয়্যাত’র পাশাপাশি তাদের মাঝে আরো কিছু, এমন কিছু বিশেষ উপাদান’র সন্নিবেশ ঘটাতে লাগবে, সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জীবনের কোনো মোড়েই, যে কোনো পরিবেশেই তাদের যেনো যোগ্যতার অভাবে থমকে দাঁড়াতে না হয়। উদ্দেশ্য ছিল জগতের আয়োজনের সাফল্যের সাথে অংশগ্রহণ, নেতৃত্ব দিতে পারা আর নিছক আল্লাহ’র সন্তুষ্টি। সামনে ছিল সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়-
১। মুসলিম শিশুকে জীবনের শুরুতেই ইসলামি শিক্ষার আলোয় আলোকিত করে তোলা। যাতে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সচ্চারিত্রিক ও আদর্শবান সুনাগরিক হিসেবে তারা গড়ে উঠতে পারে।
২। ইসলামি রীতি-নীতি ও চালচলনে শিক্ষার্থীদের অভ্যস্ত করে তোলা।
৩। দেশ ও জাতির কল্যাণে সুযোগ্য আলেম, মুফতি, মুহাদ্দিস, ক্বারী, হাফিজ, বক্তা, লেখক, প্রচারক তথা দ্বীনের দায়ী তৈরি করা।
৪। ইসলামি শিক্ষার পাশাপাশি বৃত্তিমূলক শিক্ষার সমন্বয় সাধন করে ছাত্রদের স্বাবলম্বী-সচ্ছল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
৫। সাহাবায়ে কিরাম ও সালাফে সালেহীনের ভাবধারা, আক্বীদা-বিশ্বাস, আমল-আখলাকে আধ্যাত্মিক জ্যোতির্ময় উত্তরাধিকারী সৃষ্টি করা।
৬। দ্বীন ইসলাম, পবিত্র কুরআন ও মহানবী সা. এর প্রতি কটুক্তি, কুৎসা রঠনা ও বে-আদবীর বিরুদ্ধে দূর্ভেদ্য প্রতিরোধ গড়ে তোলা। সর্বোপরি সকল বাতিলের দৃঢ়তার সাথে মোকাবেলা করা।
৭। আল্লাহ বিমুখ বান্দাকে আল্লাহ’র সাথে সম্পৃক্ত করার মেহনত অব্যাহত রাখা অর্থাৎ মানুষকে সুন্দর উপায়ে দ্বীনের পথে আহবান করা।

জামেয়ার অবস্থান
শিক্ষা কার্যক্রম দ্রুত বিস্তৃতি লাভ করায় এবং নদীর পারে ছাত্রদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় তৎকালীন সিলেট পৌরসভা কর্তৃক দানকৃত প্রায় এক একর মূল্যবান জমির উপর লম্বা টিনশেডের গৃহ নির্মাণ করে জামেয়া স্থানান্তরিত হয় বর্তমান স্থানে ১৯৭৯ ঈসায়ী সনে। বর্তমানে জামেয়া চারতলা বিল্ডিং বিশিষ্ট এক বিশাল ক্যাম্পাস নিয়ে এক বুক ঐতিহ্য’র স্মারক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সময়ের অনিবার্য অনুষঙ্গ হয়ে।

শিক্ষা কার্যক্রম
সূচনালগ্ন থেকেই জামেয়ার শিক্ষা সিলেবাস দ্বীনি শিক্ষা এবং জাগতিক শিক্ষার সমন্বিত পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়। বর্তমানে এখানে রয়েছে-
* আধুনিক নূরানী পদ্ধতির প্রাইমারি বিভাগ
* মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, কম্পিউটার, কারিগরি ইত্যাদি বিষয়ে পাঠদান।
* হিফজুল কুরআন বিভাগ।
রয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের নিয়মিত সকল বিভাগ। তাকমিল ফিল হাদিস, মুফতি কোর্স
বিশুদ্ধভাবে তাজবীদসহ কুরআন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় রয়েছে স্বতন্ত্র আল-জামেয়া কুরআন প্রশিক্ষণ কোর্স।
এই জামেয়া দেশের সর্ববৃহৎ কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ‘বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ’ এর অন্তর্ভুক্ত। তাছাড়া সিলেট বিভাগভিত্তিক ‘আযাদ দ্বীনি এদারা’ এবং ‘জমিয়তুল মাদারিস’ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কয়েকটি ক্লাসের ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে থাকে।

ছাত্রদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা
শিক্ষার্থীগণ ছাত্রকাল থেকে যাতে সচ্চরিত্রবান এবং নেক আমলদার হয়ে গড়ে উঠতে পারে, সে জন্য জামায়াতের সাথে নামাজ আদায়, নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত, সুন্নাতের পাবন্দী এবং আল্লাহর পূণ্যবান বান্দাগণের অনুসরণে পোষাক-পরিচ্ছেদ পরিধান করাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ছাত্রদের জন্য
* মেধা-মনন বিকাশের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত জামেয়ার একক ছাত্র সংগঠন ‘আল ইসলাহ ছাত্র সংসদ’র উদ্যোগে প্রবন্ধ/নিবন্ধ, কলাম, কবিতা ইত্যাদি সম্বলিত মাসিক দেয়ালিকা লিখন, বার্ষিক প্রকাশনা ‘কাফেলা’ এবং বিভিন্ন মেধা প্রতিযোগিতায় ছাত্রদের অংশগ্রহণের চমৎকার সুযোগ রয়েছে এই জামেয়ায়।
* ছাত্ররা যাতে বাগ্মীতা ও বক্তৃতাদানে পারদর্শী হতে পারে সে জন্যে সাপ্তাহিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে কিরাত, হামদ, নাত, রচনা ও বক্তৃতা অনুশীলন করা হয়ে থাকে। আয়োজন করা হয় বিষয়ভিত্তিক বিতর্ক ও কাব্য প্রতিযোগিতার।
* আল্লাহ’র দ্বীনের পথে মানুষকে আহবানের সঠিক দীক্ষা গ্রহণের জন্য মাদরাসা ছুটিকালীন সময়ে আল্লাহর রাস্তায় তথা তাবলীগ’র কাজে বের হওয়ার জন্য ছাত্রদের উৎসাহিত করা হয়।
বর্তমান শিক্ষক কর্মচারি ও ছাত্র সংখ্যা
বর্তমানে জামেয়ার শিক্ষক সংখ্যা ৫৪জন, ছাত্র সংখ্যা ১২৫০ জন এবং কর্মচারি সংখ্যা ৩৫ জন।

ছুটি ও বন্ধ
সপ্তাহের মধ্যখানে বা শেষে ছাত্রদের কোন ছুটি নেই।
বিশেষ প্রয়োজনে লিখিত দরখাস্তের মাধ্যমে ছুটি নিতে হয়। রমজানুল মোবারক এবং ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে জামেয়া ৪৫ দিন বন্ধ থাকে। তবে হিফজ বিভাগের জন্য এ বন্ধ ২১ শে রমজান থেকে ১০ই শাওয়াল পর্যন্ত প্রযোজ্য। এছাড়া-
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ১ দিন।
বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ১ দিন।
আশুরা দিবস উপলক্ষ্যে ১ দিন।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে ১ দিন।
ঈদ উল আযহা উপলক্ষ্যে ১০ দিন।
প্রথম সাময়িক পরীক্ষার পর ৭ দিন।
দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার পর ৭ দিন।
প্রিন্সিপাল সাহেব’র বিবেচনাধীন আরো ১৫ দিন।
মাত্র ক’জন কোমলমতি শিশু নিয়ে শুরু হওয়া এ জামেয়াটি বর্তমানে এক বিশাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এর ছাত্র সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ছাড়িয়ে গেছে হাজারের কোঠা। প্রতি বছর ৪০/৪৫ জন হাফিজে কুরআন ও ৭০/৮০ জন করে আলেম এবং ৮/১০ জন করে মুফতি হয়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন জামেয়া থেকে। জামেয়ার এ সূর্যসন্তানগণ দ্বীন ইসলামের শিক্ষা বিস্তারের গুরুদায়িত্ব দেশে-বিদেশে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করে যাচ্ছেন। দেশের সীমানার বাইরে জামেয়ার অসংখ্য ফারেগীন ইসলামের খেদমত করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

খিদমতে খালক্ব বা সৃষ্টি সেবায় জামেয়া
মহানবী সা. ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি মানুষের সেবা করে সেই সর্বোত্তম’। মানুষের সেবা ও সহযোগিতার মাধ্যমে আল্লাহ’র নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্য জামেয়া পরিচালনায় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে “আল মারকাজুল খায়রী আল ইসলামী” নামে একটি বহুমুখী জনসেবামূলক সংস্থা। এর আওতায় চালু করা হয়েছে- অসহায় রোগী ও লাশ পরিবহনের জন্য ২৪ ঘন্টা এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস।
লাশ গোসল ও কাফনের ব্যবস্থাপনা।

বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স।
বন্যা দূর্গতদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রি বিতরণ, খাদ্যদ্রব্য, কাপড়-চোপড়, জরুরী ঔষধ ইত্যাদি। মোটকথা, জামেয়া মাদানিয়া আমাদের অহংকার। আমাদের গর্ব। এই গর্ব বুকে ধারণ করে আমরা আজ বিদায় নিচ্ছি, এই অনুভূতি নিয়ে। ইচ্ছে করলেও জামেয়া থেকে দূরে থাকতে পারবো না। এই জামেয়া মায়ের ভালবাসায় বুকে আগলে রেখেছিল। বারবার ফিরে আসতে হবে এই মায়ের কোলে।  আল্লাহ সবাইকে কবুল করুন। আমীন।সংগৃহীত। 

Comment

Share.

Leave A Reply