সাক্ষাৎকারে যা বললেন মাওলানা আব্দুস সালাম জৈন্তাপুরী

0

ইহসান বিন সিদ্দিক : দীর্ঘদিন ধরে আটরশী ভন্ড মাজারপূজারী সন্ত্রাসীরা সিলেট জৈন্তাপুর আম্বারী এলাকায় বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে বসবাস করা শুরু করে এবং অনেক ঘরবাড়ী করে ফেলেছে, পাশাপাশি তারা পাথরের ব্যবসা করে যাচ্ছে এবং প্রতিবছর এভাবে মাহফিল করে যাচ্ছে, এ বৎসর যখন ওয়াজ করাবে তখন প্রশাসনের কাছে যাওয়ার পর তারা বলেছে যদি কাওমির কোন হুজুরকে দাওয়াত দেন তাইলে অনুমতি দেওয়া যায় সেই অনুযায়ী জৈন্তাপুর আম্বারী এলাকায় বিদআতীদের একটি ওয়াজ মাহফিলে হরিপুর মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওঃ আঃ সালাম সাহেবকে সভাপতিত্ব হিসেবে দাওয়াত দেওয়া হয় (যাকে ছবিতে আমার পাশে দেখছেন) তিনি দাওয়াত পেয়ে কয়েকজন ছাত্র নিয়ে প্রোগ্রামে উপস্থিত হয়ে বয়ান করেন। উনার বয়ানের পর তাদের শেষ বক্তা বিদআতীদের এক বক্তা বয়ান শুরু করে (বক্তার বিষয়ঃ যাকাত) সে বিষয়ভিত্তিক ছেড়ে শুরুতেই এক পর্যায়ে বলেন নবী নুরের তৈরী তখন হযরত আঃ সালাম সাহেব বলেন হযরত আপনি এসব কথা না বলে যে বিষয় দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে আলোচনা করুন কিন্তু বক্তা থেমে নেই এরপর স্টেইজে বসা অবস্থায় আঃ সালাম সাহেব প্রশ্ন করেন নবী নুরের তৈরী কোথায় পেয়েছেন তখন ঐ বক্তা বললো কুরআনে পেয়েছি, তখন তিনি বললেন কত পারায় কত নম্বর আয়াত তখন বিদআতীরা ঐক্যবদ্ধভাবে উনার উপর ভিবিন্ন অস্ত্রবল নিয়ে উনার উপর আক্রমন শুরু করে তখন অনেকটাই উনার উপর আঘাত পরে,যখন উনার বুকের উপর চুরিআঘাত করে তখন (যে ভাই নিহত হয়েছেন হরিপুর দারুল হাদিস মাদরাসার তাকমীল ফিল হাদিস এর ছাত্র মুজাম্মিল ভাই) তিনি হুজুরকে বাঁচাতে গিয়ে মুজ্জামিল ভাই সামনে গিয়ে দাঁড়ালে ভাইটির উপর আঘাত করলে তিনি শাহাদত বরন করেন ইন্নালিল্লাহ….

তাদের এটা মূলত পূর্ব থেকেই পরিকল্পিত। কারন যখন এসব শুরু হয় তখন তারা স্টেইজের নীচ থেকে অস্ত্রবল নিয়ে আক্রমণ শুরু করে। হুজুরের সাথে যারা ছিলেন সবাইকে আহত করে। এরপর যখন এলাকার লোকজন খবর পেয়ে উপস্থিত হয়ে দেখতে পান বিদআতী সবাই ঘরবাড়ী ছেড়ে পলায়ন করে। তখন প্রায় ২০০ ঘরবাড়ী জালানো হয়।

আজ দুপুর ১২:৩০ মিনিটে আমরা ক’জন দেখতে যাই, ছিলেন বন্ধুবর জুনাইদ শামসী প্রমুখ। আমি যখন মাওঃ আঃ সালাম হুজুরের সাথে দেখা করে সালাম করলে উত্তর দেন, হুজুর আমায় দেখাই চিনে ফেলেন, বলেন মনে আছে তোমাকে যে অমুক মাহফিলে দেখেছিলাম এবং পরিচয় হয়। আমি বিস্মিত! হুজুরের এত কষ্টের মাধ্যমে আমাকে চিনতে পেরেছেন অনেক সময় কথা বলি, এক পর্যায়ে একজন হুজুরের নাম্বার চেয়ে বসলেন কিন্তু আমার কাছে নেই এবং উনাকে চিনিওনা, অবশেষ নাম্বার মিলেছে,আসার সময় বলেছেন সবি মাওলার ইচ্ছা আর খাস করে আমার ও সবার জন্য দোয়া করবে, তখন এমন অবস্থা দেখে নিজেকে সামলাতে কষ্ট হয়েছিল!

সেখানে অনেক ভাই বিছানায় শায়িত সবাইকে দেখে আসি এক ভাই icu তে ভর্তি আছেন, আরেক ভাই জান যায় যায় অবস্থা।
আমরা সবাই উনাদের জন্য দোয়া করি মাওলা যেন তাদের শিফা দান করেন। এবং যারা শাহাদত বরন করেছেন তারা যেন সহজেই জান্নাত লাভ করেন।

কেউ দেখার হচ্ছে হলে নিম্নে ঠিকানায় চলে আসুন, সিলেট ওসমানী মেডিকেল, ৩য় তলা ১১ নং ওয়ার্ড।

Comment

Share.

Leave A Reply