শত শত মোবাইল পুড়ানোর পরও কোনো প্রতিবাদ নেই!

0

সাইফ রাহমান ::

শত শত মোবাইল পোড়ানো হলো, অথচ এখনো কোনো প্রতিবাদ নেই? মানবন্ধন নেই। মিছিল নেই। মাদরাসা থেকে ক্লাস বর্জনের সিদ্ধান্ত নেই। নীরবে নিশ্চুপে তারা ক্লাস করছে। হুজুরদের আনুগত্যে একটুও কমতি করছেনা তারা। হুজুরদের ঠিকমতো খাবারদাবার পরিবেশন করছে। খেদমতে নিয়োজিত আছে। আশ্চর্য কথা না?

অথচ ক’দিন আগেও শুনেছি কলেজের একটা ছাত্রের হাত থেকে শিক্ষক মোবাইল কেড়ে নিয়ে যাওয়ার কারণে ক্লাস বর্জন। দেখেছি ছাত্রকে একটু ধমক দেয়ার কারণে শিক্ষককে লাঞ্ছিত হতে। ক্লাসে অনুপস্থিত হওয়ার কারণে প্রহার করতেই ছাত্রশিক্ষক ধস্তাধস্তি।
কিন্তু কওমি মাদরাসায় এমনটা হচ্ছেনা কেন! কেন তারা তাদের শিক্ষকদের মাথার মুকুট মনে করে। মনে করে হুজুররা যা করেন তাদের ভালোর জন্যই করেন। এই ‘কেন’ এর উত্তরটা হলো, আদর্শিক দিক দিয়ে কওমি মাদরাসার ছাত্ররা আনুগত্যশীল। এই শিক্ষাই কওমি মাদরাসা দেয়। উস্তাদদের নেক দোয়া নিয়ে তাদের পথচলা। মা বাবার সম্মান তারা যেভাবে করে ঠিক তেমনিভাবে নিজেদের শিক্ষকদেরও সম্মান করে। বরং তারচেয়ে বেশি।
কওমি মাদরাসার ছাত্ররা যখন ফারেগ হয়ে মাদরাসা থেকে বের হয়, তখন মাদরাসার প্রিন্সিপালসহ শিক্ষক মহোদয়গণ তাদের উদ্দেশ্যে যে নসীহত পেশ করেন। সেগুলো দিয়েই তারা তাদের বাকী জীবন পরিচালনা করার ইচ্ছা করে। এবং ধীরেধীরে ইচ্ছার বাস্তবায়ন ঘটায়। পুরোপুরিভাবে। নিয়োজিত হয় দ্বীনের খেদমতে। এভাবেই তারা তাদের পুরোটা জীবন পরিচালনা করে। যে ছাত্ররা বড় হয়ে এরকম হয়, তারা ছোটকালে অর্থাৎ ছাত্রাবস্থায় কিরকম হবে! কিভাবে আনুগত্যশীল হবে, কিভাবে উস্তাদের কথা শুনবে। বলার অপেক্ষা রাখেনা। আর আজ এই ছাত্রদেরই মোবাইল পোড়ানো হয়েছে। এবার হিসেব কষুন…

Comment

Share.

Leave A Reply