‘২৬ ফেব্রুয়ারিকে ভণ্ড প্রতিরোধ দিবস ঘোষণা করা হোক’

0

মোঃ বশির উদ্দীন এম.এ

২৬শে ফেব্রুয়ারিকে ভণ্ড প্রতিরোধ দিবস ঘোষণা করা হোক। বাংলাদেশ জন্মলগ্ন থেকে বিভিন্ন অপশক্তির নানা ষড়যন্ত্র অতিক্রম করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে অক্ষুন্ন রেখে লাল সবুজের পতাকা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। পরাজিত অপশক্তিরা বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন নামে, ভিন্ন পরিচয়ে নানা অপকর্ম, অপতৎপরতার মাধ্যমে সামাজিক শৃঙ্খলা বিনষ্টের অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। ধর্মের নামে যারা ভণ্ডামি করছে, তারা ঐ অপশক্তিরই একটি অংশ। এরা রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে কুলষিত করতে চায়। ধর্মপ্রাণ মুসলমানের ঈমান আকিদায় আঘাত দিয়ে হক্কানী আলেম উলামাকে রক্তাক্ত করতে চায়, নিশ্চিহ্ন করতে চায়।

গত ২৬শে ফেব্রুয়ারি কালো রাতে ঐতিহাসিক জৈন্তাপুরের আমবাড়ীতে হরিপুর বাজার মাদ্রাসার মেধাবী ছাত্র মাওলানা মুজাম্মেল আলীকে নৃশংসভাবে হত্যা ও অগ্নিসংযোগ ৭১’র পরাজিত অপশক্তিরই কাজ, যারা জৈন্তার কওমী মাদ্রাসা ও হক্কানী উলামায়ে কেরামকে ধ্বংস করে জঙ্গিবাদ কায়েম করতে চায়।

জৈন্তাপুর উপজেলাবাসী এ বিষয়ে সজাগ ও সচেতন এবং ধৈর্য্যের সাথে পরিস্থির মোকাবেলা করছেন। প্রশাসনের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে সর্বাত্মক সহযোগীতা করছে। শহীদের রক্তে ভেজা জৈন্তার মা, মাটি, মানুষ আজ শোকাহত। মর্মাহত বাংলাদেশ।

সকলে মিলে ক্ষতিগ্রস্তদের পূনর্বাসন ও অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করতে হবে।

জৈন্তাপুরের হক্কানী উলামায়ে কেরামের দেশাত্মবোধ ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সুরক্ষা ও প্রতিষ্ঠায় বীরত্বপূর্ণ অবদান ও শহীদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং জাতিকে ইসলামের অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর নিদর্শন স্বরূপ মহান ২৬শে ফেব্রুয়ারিকে ‘ভণ্ড প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে বাংলাদেশের মহান জাতীয় সংসদ ঘোষণা করলে শুধু ইসলাম ধর্মই নয়, সকল ধর্মই ভণ্ডমুক্ত হবে বলে আমি মনে করি।

লেখক : ভাইস চেয়ারম্যান, জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদ

Comment

Share.

Leave A Reply