আন্দোলনকারীরা কিন্তু ছাত্রজনতা

0

তারেকুল ইসলম : 

নিছক কায়েমী স্বার্থে এতদিন মুক্তিযোদ্ধা, একাত্তর ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে যে-কৃত্রিম রাজনৈতিক মিথ ও আবেগ তৈরি করা হয়েছিল, সেই কৃত্রিম মিথ ও রাজনৈতিক চেতনার বয়ানগুলো এই কোটাবিরোধী আন্দোলনের কারণে ভেঙে যেতে বসেছে।

ফলে সেই বিশেষ রাজনৈতিক কায়েমী গোষ্ঠীটি কোটা সংস্কারের দাবি মেনে নিতে রাজি নয়। কারণ, কোটা সংস্কারের দাবি মেনে নিলে সেটা তাদের রাজনৈতিক কায়েমী স্বার্থের হানি ঘটাবে বলে তারা আশঙ্কা করছে। পাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে তাদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যবসা মার খেয়ে যায় কিনা- এই ভয়।

কিন্তু আন্দোলনকারীরা ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ শ্লোগান দিচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, কোটা-বৈষম্যের স্থান নাই– সম্বলিত রক্তাক্ত টিশার্টও দেখা গেছে। আন্দোলনের কৌশল হিসেবে এটা ঠিক আছে। নইলে বিএনপি-জামাতের ষড়যন্ত্র বলে আন্দোলন দমন করার ইস্যু থাকতো সরকারের হাতে।

এতদসত্ত্বেও ডুগডুগিওয়ালী মতিয়া চৌধুরী সংসদে ‘রাজাকারের বাচ্চাদের আমরা দেখে নিবো’ বলে আন্দোলনকারীদের প্রতি হুমকি দিলেও কাজ হচ্ছে না।

এখন সরকার সবদিক থেকে পড়েছে মাইঙ্কা চিপায়!!

কোটা সংস্কারের দাবি মেনে নেওয়া ছাড়া সরকারের আর কোনো উপায় দেখি না।

এই আন্দোলনকারীরা কিন্তু ছাত্রজনতা! কঠিন চীজ! এদেরকে বিএনপি’র কর্মী মনে করে অবজ্ঞা করলে সরকারকে এর খেসারত দিতে হতে পারে।

Comment

Share.

Leave A Reply