মোবাইল নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর পরিবর্তন করা যাবে ১ অক্টোবর থেকে

0

মোবাইলের মূল নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর বদল বা মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) সেবা ১ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। বুধবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) তাদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানায়।

গত আগস্টে চালু হওয়ার কথা থাকলেও কয়েকটি কারণে পিছিয়ে যায় এমএনপি সেবা। মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি বা এমএনপি সেবা চালু হলে নম্বর অপরিবর্তিত রেখে যেকোনো অপারেটরে যেতে পারবেন গ্রাহকেরা।

এমএনপি সেবার লাইসেন্স পাওয়া ইনফোজিলিয়ন বিডি-টেলিটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাবরুর হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, আগামী ১ অক্টোবর থেকে এমএনপি সেবা দিতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ১ অক্টোবর রাত থেকেই এ সিস্টেমটি শুরু হবে।

মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি বা নম্বর অপরিবর্তিত রেখে যেকোনো অপারেটরে যাওয়ার পদ্ধতিটি চালু হলে গ্রাহকেরা কিছু সুবিধা পাবেন। সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে অপারেটর নির্ধারণে তাঁদের ‘স্বাধীনতা’। এই পদ্ধতিটিকে সহজভাবে বলা যায় নম্বর ঠিক রেখে নেটওয়ার্ক বদল। এটা গ্রাহকদের স্বাধীনতা। প্রিপেইড ও পোস্ট পেইড উভয় ধরনের গ্রাহকই এমএনপি সুবিধা পাবেন।

মাবরুর বলেন, অপারেটরে গ্রাহক যেতে চায় সে অপারেটরকে ফি দিয়ে আবেদন করবেন। এমএনপি সেবা নিতে ৩০ টাকা ফি নির্ধারিত করা হলেও তা পরিবর্তন করে ৫০ টাকা করা হয়েছে। যে আবেদন করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার অপারেটর বদলে যাবে।

পুনরায় অপারেটর পরিবর্তন করতে হলে তাকে ৯০ দিন অপেক্ষা করতে হবে। এমএনপি সেবা নিতে হলে গ্রাহককে সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোনের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যেতে হবে। সেখানে ৫০ টাকা চার্জ পরিশোধের পর পুরোনো সিম বদল করে নতুন সিম নিতে হবে।

ফোন নম্বর অপরিবর্তিত রেখে মোবাইল অপারেটর পরিবর্তনের সুবিধাকে বলা হয় এমএনপি। একজন গ্রাহক নম্বর অপরিবর্তিত রেখেই নিজেদের ইচ্ছেমতো এক অপারেটর থেকে আরেক অপারেটরে যেতে পারেন এ ব্যবস্থায়। বিশ্বের ১০০টির বেশি দেশে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

২০১২ সালে বাংলাদেশে এমএনপি বাস্তবায়নের প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর তিন বছর পর ২০১৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি নীতিমালার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

গত নভেম্বরে এমএনপি সেবার লাইসেন্স পায় বাংলাদেশ ও স্লোভেনিয়ার কনসোর্টিয়াম ইনফোজিলিয়ন বিডি-টেলিটেক।

Comment

Share.

Leave A Reply