হাইয়াতুল উলইয়ার বৈঠক অনুষ্ঠিত; প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে সংবর্ধনার তারিখ নির্ধারণ

0

কওমিকণ্ঠ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোনো উন্মুক্ত স্থান বা গণমানুষের উপস্থিতিতে সংবর্ধনা দেয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কওমি মাদরাসার সম্মিলিত বোর্ড আল-হাইয়াতুল উলয়া লিল-জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। আজ হাইয়াতুল উলইয়ার নির্বাহী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

হাইয়াতুল উলয়ার চেয়ারম্যান আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সভাপত্বি অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনাসহ কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আজ রোববার ঢাকার যাত্রাবাড়ীর ভাঙ্গাপ্রেসে বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১২টায় শুরু হয়ে দুপুর আড়াইটায় বৈঠক শেষ হয় বলে জানা গেছে।

কওমি মাদরাসার শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি আইন পাশে বিশেষ অবদান রাখায় প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ সংবর্ধনা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় হাইয়াতুল উলয়া। তবে গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে গণসংবর্ধনার খবর প্রকাশিত হলেও হাইয়াতুল উলয়া এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে সরে এসেছে।

বৈঠকে সিলেট আযাদ দ্বীনী এদারায়ে তালীম বাংলাদেশের প্রতিনিধি মাওলানা এনামুল হক বহরগ্রামী কওমিকণ্ঠকে এসব তথ্য দেন।

মুঠোফোনে মাওলনা এনামুল হক বলেন, ‘দীর্ঘ আলোচনার পর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে উন্মুক্ত স্থান বা সর্বসাধারণের উপস্থিতিতে কোনো সংবর্ধনা দেয়া হবে না। তবে বিশিষ্ট উলামায়ে কেরামের উপস্থিতিতে তাকে সম্মাননা প্রদান করা হবে।’

বিশিষ্ট উলামায়ে কেরাম দ্বারা কারা উদ্দেশ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দাওরায়ে হাদিস মাদরাসার মুহতামিম ও হাইয়াতুল উলয়ার সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মাননা দেয়া হবে।’

তবে বৈঠকে সংবর্ধনার তারিখ ও স্থান এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। আল্লামা আহমদ শফীর নেতৃত্বে দু’একদিনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করবেন আলেমদের একটি প্রতিনিধি দল। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সময় দিবেন। সে অনুযায়ী সংবর্ধনার সময় ও স্থান নির্ধারণ করা হবে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

আল্লামা আহমদ শফীর সঙ্গে তার ছেলে মাওলানা আনাস মাদানী, বেফাক মহাসচিব মাওলানা আবদুল কুদ্দুস ও মুফতি নুরুল আমিন প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের জন্য যেতে পারেন।

এ বিষয়ে মুফতি নুরুল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘মূলত যাবেন আল্লামা আহমদ শফী। অন্যদের যাওয়ার বিষয়টি অফিসিয়াল কোনো সিদ্ধান্ত নয়। এখন হযরত যাকে ভালো মনে করেন সাথে নিবেন।’

প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সঙ্গে যোগাযোগের ভিত্তিতে আজ বা আগামীকাল যে কোনো সময় আল্লামা আহমদ শফী প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত দিতে যাবেন বলেও জানান মুফতি নুরুল আমিন। #সংবাদসহায়তা-ইসলামটাইমস

Comment

Share.

Leave A Reply