ইজতেমা মাঠে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে : সামীউর রহমান মুসা

0

কওমিকণ্ঠ : জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া কাজির বাজার এর প্রিন্সিপাল বাংলার সিংহ পুরুষ প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবীবুর রহমান (রহ.) ছাহেবজাদা মাওলানা সামীউর রহমান মুসা বলেছেন, টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে নিরীহ মাদ্রাসা ছাত্র ও তাবলীগী সাথীদের উপর হামলা করে সন্ত্রাসীরা এদেশের তৌহিদী জনতার হৃদয়ে আঘাত হেনেছে। সত্যিকার কোন মুসলমান এ ধরনের হামলায় জড়িত থাকতে পারে না-আলেম উলামা বিদ্বেষী এ চক্রের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
তিনি গতকাল সোমবার জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া কাজির বাজার থেকে মিছিল পরবর্তী জামেয়া মাদানিয়া, খোজারখলা মার্কাজ ও তৌহিদী জনতার যৌথ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

জামেয়া মাদানিয়ার কাজির বাজার মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা সামীউর রহমান মুসার সভাপতিত্বে জামেয়া মাদানিয়ার সিনিয়র মুহাদ্দীস মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামেয়া ক্বাসীমুল উলুম দরগাহ মাদ্রাসার সদরুল মুদাররেসীন মাওলানা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ী, জামেয়া মাদানিয়ার সদরুল মুদারেসীন মাওলানা আব্দুস সোবহান, জামেয়া মাদানিয়ার শিক্ষা সচিব মুফতি শফিকুর রহমান।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী মাওলানা খলিলুর রহমান, শামীমাবাদ মাদ্রাসার মুহতামীম হাফিজ সৈয়দ মাওলানা শামীম আহমদ, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম সিরাজী, আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম, খোজারখলা মাদ্রাসার মুরব্বী হাজী মকবুল আহমদ, হাজী বুলবুল মিয়া, মাওলানা মনজুর আহমদ, মাওলানা সিদ্দিক আহমদ চিশতী, ভার্থখলা জামেয়ার মুহাদ্দীস সামছুদ্দিন ইলিয়াস, মহানগর ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব, জামেয়া মাদানিয়ার শিক্ষক মাওলানা ফাহাদ আমান, মাওলানা মুশফিকুর রহমান মামুন, জামেয়া ফারুকিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মুফতি মাহবুবুল হক, মুফতি নাসির উদ্দিন, তারিক বিন হাবীব, রশীদ মোস্তাক, মাহদী হাসান জামাল,ইকরামুল হক জুনাইদ, ওবায়দুর হক নাহিদ, হাজী আব্বাস উদ্দিন জালালী, হাফিজ কয়েস আহমদ প্রমুখ।
বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে ৬ দফা দাবী পেশ করেন-জামেয়া ক্বাসীমুল উলুম দরগাহ মাদ্রাসার সদরুল মুদারেসীন মাওলানা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ী।
১। টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে হামলার নির্দেশ দাতা ওয়াছিফুল ইসলাম ও সাহাব উদ্দিন নাসিমসহ হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে।
২। হামলায় আ্হত-নিহতদের যথাযথ ক্ষতিপুরণ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
৩। টঙ্গী ময়দান এতোদিন যেভাবে শূরা ভিত্তিক তাবলীগের সাথী ও উলামা কেরামের অধীনে ছিল তাদের কাছেই মাঠ বুঝিয়ে দিতে হবে।
৪। টঙ্গী ইজতেমায় যথাসময়ে পূর্ব ঘোষিত সময়ে ১৮-২০ ও ২৫-২৭ অনুষ্ঠানে কার্যকারিতা ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৫। কাকরাইল ও সিলেটের খোজারখলা মার্কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট ওয়াসিফ ও নাসিম গংদের বহিষ্কার করতে হবে।
৬। সারাদেশে উলামায়ে কেরাম ও শূরা ভিত্তিক তাবলীগী সাথীদের উপর হামলা-মামলা বন্ধ করে পূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।

Comment

Share.

Leave A Reply