জনগণের দ্বিধা ও আশঙ্কা দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে ঐক্যফ্রন্টকে

0
তারেকুল ইসলাম ::

এই মুহূর্তে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, বিএনপিসহ অন্যান্য বিরোধী দলকে যেটা সবচে বেশি মনোযোগ দিতে হবে, সেটা হলো: জনগণকে ভোট দিতে অংশগ্রহণ করতে উদ্বুদ্ধ করা। তারা আতঙ্কে আছে। ভোট দিতে যাবে কি যাবে না- তা নিয়ে দ্বিধা ও আশঙ্কায় আছে। জনগণের দ্বিধা ও আশঙ্কা দূর করতে হবে।

এটা এ কারণেই গুরুত্বপূর্ণ যে, ভোটের দিন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে কোনোভাবেই জনগণ যাতে ঘরে বসে না থাকে। কারণ আগামী সংসদ নির্বাচনের দিন ভোট জালিয়াতি ও ভোটলুটের চেষ্টা করা হবে নিশ্চিত। সুতরাং, ভোটের ফলাফল পাল্টে দেওয়া এবং নির্বাচনী কারচুপি রুখে দিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি’র মাঠকর্মীদের সাথে জনগণের সংঘবদ্ধ অবস্থান নেওয়া সবচে সবচে জরুরি। তবেই গণেশ ও পাশার দান- দুটোই উল্টে যাবে। ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার করার জন্য জনগণের অংশগ্রহণপূর্বক সংগঠিত হওয়ার বিকল্প নাই। আর জনগণকে সংগঠিত করার দায়িত্ব বিরোধী দলগুলোর।

যেকোনো মূল্যে এটা করতেই হবে। এজন্য ঠিক এই পয়েন্টে ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপিকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোসহ ব্যাপক জনসংযোগ চালিয়ে যেতে হবে। অন্যান্য বিষয়ে ব্যস্ত থাকায় তারা সম্ভবত এই জায়গায় গাফেলতি করছে আমার মনে হচ্ছে।

হয়ত বলবেন, জনসংযোগ করতে গিয়ে ফ্যাসিস্ট ক্যাডার বাহিনীর হামলা ও আক্রমণের শিকার হতে হচ্ছে। এটার তো সম্মুখীন হতে হবে। তবুও সভা-সমাবেশের বক্তব্য ও বিবৃতিতে জনগণকে নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোট দিতে আসার জন্য আহ্বান ও উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং তাদেরকে বোঝাতে হবে যে, তাদের উপস্থিতি খোদ তাদের নাগিরক ও মানবিক অধিকার আদায়ের জন্য কতটা জরুরি! এবারের পরিস্থিতি ও হিসাব-নিকাশ যে আলাদা- এটা জনগণকে বুঝাতে হবে। জনগণের আতঙ্ক দূর করুন।

Comment

Share.

Leave A Reply