ফুলতলী ভক্তের হাতে কওমিপন্থি যুবক খুন

0

কওমিকণ্ঠ : সিলেট সদরের পুরান কালারুকা গ্রামে কওমি ফুলতলী দ্বন্ধে কওমিপন্থি এক যুবককে খুন করেছে ফুলতলীপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় কালারুকা এলাকায় পঞ্চায়েতি নিয়ম ভঙ্গ করে ফুলতলী পীরের মুরীদ এরশাদ খাঁ ওয়াজ মাহফিলের অায়োজন করেন।

এতে এলাকার যুবসমাজ ক্ষিপ্ত হয়ে ৩১ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মাহফিল পণ্ড করে দেয়।

এর পরপর থেকে এরশাদ খাঁ কালারুকা কওমি মাদরাসাকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে মামলা দায়ের করে। যদিও মাহফিল পণ্ড করতে কওমি মাদরাসা জড়িত ছিলনা।
মাহফিল পণ্ড করা ও এরশাদ খাঁ কর্তৃক মমামলা দায়েরে এলাকায় টান টান উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে। আর এরশার খাঁর পক্ষে ইন্ধন যোগান সোনাতলার মুজাহিদ উদ্দিন মইয়ারচরী নামের একজন।

পরে জালালাবদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও এলাকার মুরব্বিদের হস্তক্ষেপেরজেলা প্রশাসকের মাধ্যমে উভয় পক্ষের মাঝে আপষে সুরাহা হয়।

এতে এরশাদ ক্ষতিপূরণ দাবি করায় জেলা প্রশাসক ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেন। মুরব্বিরাও এরশাদকে ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হন।
এবং আগামি রবিবার (৯ ডিসেম্বর) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ছিলো।

এদিকে গতকাল বুধবার মইয়ারচরের মুজাহিদ উদ্দিনের ইন্ধনে সোনাতলায় কালারুকা এলাকার সাত-আটটি সিএনজি আটক করে ফুলতলী পীরের মুরীদ পক্ষ।

এই ঘটনায় কালারুকা এলাকার সিএনজি চালকরা এরশাদ খাঁর মুরব্বি এবং তার মাদরাসার প্রধান উপদেষ্ঠা আলাউদ্দিন খাঁর কাছে নালিশ করেন এই বলে যে, ‘যেহেতু এরশাদ খাঁর মাহফিলের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা রয়েছে রবিবারে, তাহলে কেনো রাস্তায় আমাদের গাড়ি আটকানো হচ্ছে’?

অালাউদ্দিন খাঁ কোন সন্তুষ্টজনক জবাব না দিয়ে উল্টো ফুলতলী ক্যাডারদেরকে উস্কে দেন। আবারো এলাকায় উত্তেজনা দেয়।

আজ সকালে কওমিপন্থি বাবুল খাঁর একমাত্র ছেলে শাকির আহমদ উরফে শুভন খাঁ বাড়ি থেকে বের হলে ফুলতলিপন্থি উসমান খাঁ, শাহেল খাঁ, এরশাদ খাঁগং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শুভন খাঁনকে হত্যা করেন। ঘটনার সময় শাহেল খাঁকে ফাঁকা গুলি করতেও দেখেছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

ঘটনার সময় উত্তেজিত জনতা গণধোলাই দিয়ে উসমান খাঁ, আলাউদ্দিন খাঁ ও শাহেল খাঁকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন। এরশাদ খাঁসহ অন্যান্য আসামি পালিয়ে যায়।

Comment

Share.

Leave A Reply